Posts

দিনের আলোর মাঝেই লুকিয়ে থাকে রাতের আধার।

Image
মানুষের জীবনে এমন অনেক সময় আসে, যখন তার অন্য কারও কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া দুরুহ হয়ে পড়ে। তখন সে নিজকে বড্ড একা মনে করে। তখন সে খুঁজতে থাকে কিছু আপন মানুষের সমর্থন।  সেই কঠিন মুর্হুতে সে খুজতে থাকে, বেঁচে থাকার মত কিছু বাণী। সেই কঠিন মুহূর্তে যদি এই বাণী গুলো আপনাকে কিছু পাথেয় দেয়। তাহলে আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস সার্থক হবে।  ছবিঃ গোধুলি সন্ধ্যা ১। পৃথিবীর নিয়ম বড় অদ্ভুত, যাকে তুমি সবচেয়ে বেশী ভালবাস, সেই তোমার দু:খের কারন হবে। - সমরেশ মজুমদার ২। আমি বিয়ে করতে ভালবাসি। কারন সারা জীবন জালানোর জন্য নির্দিষ্ট একজনকে খুঁজে পাওয়া সত্যিই খুব মজার। - রিটা রুডনার (মার্কিন আভিনেত্রী,লেখক) ৩। কুসংস্কারকে ধ্বংস করতে গিয়ে আমরা ধর্মকে ধ্বংস করতে পারিনা! - সিসেরো ৪। সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে নিজেকে চেনা, আর সবচেয়ে সহজ কাজ হচ্ছে অন্যদেরকে উপদেশ দেয়া। - থেলিস ৫। তুমি যদি শোন যে, একটা পাহাড় একরাতে নদী/সাগর হয়ে গেছে, সেটা বিশ্বাস করো। কিন্তু যদি শোন যে, একটা মানুষ রাতারাতি তার চরিত্র পরিবর্তন করে ফেলেছে, সেটা বিশ্বাস করো না।  -আল হাদিস ৬। আমি ...

এই তো, এটাই আমি..

Image
সাধারণ মানের একজন মানুষ আমি। ভুল করি, ভুল স্বীকার ও করি, নিজের দুর্বলতা ঢেকে রাখতে চেষ্টা করি না খুব একটা। কিন্তু কেউ আমার দূর্বলতা সহজে ধরতে পারবেন বলে মনে হয় না। আবার ভুল করার চেয়ে যেহেতু ভুল ধরাটা সহজ তাই কথায় কথায় মানুষের ভুল খুঁজে বেড়াই না। নিজের সুখ, দুঃখ, কথা ইত্যাদি নিজের পেটে রাখতে পছন্দ করি। মানুষকে পর্যবেক্ষন করতে ভালো লাগে। মাঝে মাঝে ব্যস্ত রাস্তার পাশে চুপটি করে দেখি ব্যস্ত মানুষ, ছুটে চলা মানুষ দেখতে ভালো লাগে। কোলাহল থেকে দূরে থাকতে ভালো লাগে। একা থাকলে অনেক মজা পাই।  মাঝে মাঝে জ্যোৎস্না রাতে অপরিচিত মেয়েটার কথা ভাবতে খুব ভাল লাগে । অনেক একা লাগে সেই সময়টায় । অদ্ভুত এক ঘোরের মধ্যে ডুবে থাকে মন। লিখতে তেমন পছন্দ করি না, কখনো খুব একা লাগলে টেবিলে পড়ে থাকা খাতা হাতে নিয়ে কবিতা লিখার ব্যর্থ চেষ্টা করি। লেখালেখি নিয়ে অনুসন্ধান করতে খুব একটা ভাল লাগে না, যদি ভালো লাগতো তবে একটা কিছু হয়ে যেতাম। পড়াশোনা করছি টুকটাক। পাশাপাশি দু'চার টাকা কামাই যেটা ব্যবসায় ও টিউশনি থেকে আসে...। আমি আমার মত, কারো টা নকল করতে চেষ্টা করিনা। নিজের কষ্ট নিজের ভিতরে ধরে রাখতে...

পাশেই তো আছি...

গত ৭টা বছর ধরে পড়াশুনার জন্য নিজের বাড়ি,পরিবার সবকিছু ছেড়ে ঢাকায় এসে পড়ে আছি। যেদিন ঢাকার আসবো বলে বাড়ি ছাড়ি সেদিনের কথাটা এখনো স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করছে। প্রথম বারের মত বাবা-মা-ভাই-বোন সবকিছু ছেড়ে ছুড়ে নিজে একা পরবাসী হচ্ছি মনের মদ্ধ্যে কেমন জানি একটা বোবা কান্না পাচ্ছিল। অনেক কাঁদতে ইচ্ছা হল, কাঁদবার চেষ্টাও করলাম, কিন্তু কেন জানি কাঁন্না বুক ফেটে বেরুতেই চাচ্ছিল না। নিজের মনের মদ্ধ্যে আগে থেকেই টের পেয়েছিলাম যে -আমার সুখের জীবনের ইতি বোধ হয় এখানেই ঘটলো। আমি ছিলাম আমার বাবা-মায়ের প্রথম সন্তান। তাই আমার ঘর ছাড়া হবার আবেগ আমার বাবা-মা কেউই লুকিয়ে রাখতে পারল না। ওইদিন মা কেন জানি আমার সামনে কম আসতে চাচ্ছিল। বড় হয়ে যাবার পরও যেই মা আমাকে একমুঠো ভাতের দলার সাথে একরাশি আদর মাখিয়ে মুখে পুরে দিত,আমার সেই মমতাময়ী মা কেন জানি সেদিন আমার শেষবেলার খাবার টেবিলে সাজিয়ে কোথায় দূরে সরে গেলেন। মাকে ছাড়া শেষবেলার খাবারটা অতৃপ্তি নিয়ে অনেক কষ্টে শেষ করেছিলাম। যখন আমার রওনা দেয়ার সময় হয়ে পরলো, তখন আমি আম্মুকে মাটির দিকে তাকিয়ে আচলে মুখ ঢেকে কাঁদতে দেখলাম। সামনে আসার আগ...

আমি যেমন ছিলাম....

Image
অনেক লাজুক ছিলাম ছোটবেলায়। চুপচাপ থাকতাম, কারো সাথে বিশেষ কথাও বলা হত না। সবসময় একটা বিজ্ঞ বিজ্ঞ ভাব নিয়ে বসে থাকতাম। মোটাসোটা বাচ্চা ছিলাম, যেখানে বসায়ে রাখা হত সেখানেই চুপ ! চিন্তাভাবনাও ছিল দার্শনিক কিসিমেরই। ছোটবেলাতেই আমার বিজ্ঞতার কাহিনী পরিবারের সবার কাছে বেশ রসের উৎস হয়ে গেল। একটা উদাহরণ দিলেই মোটামুটি পরিষ্কার হয়ে যাবে। একবার মামা আসল বাসায়। তখন আমার বয়স আর কত, খুব বেশি হলে দুই বছর। মামার বেশ ভক্ত আমি, যখন যাই ঘটে তখন তাকে উৎসাহ নিয়ে এসে বলাই আমার কাজ। উত্তরবঙ্গের কনকনে শীতের রাত তখন। সবাই আড্ডা মারছে, আমি অন্য কোথাও গভীর মনযোগে কিছু করছি দেখে আমাকে কেউ আর ঘাটছে না। কিছুক্ষণ পরে আমি চোখেমুখে আবিষ্কারের আনন্দ নিয়ে ছুটে এসে বললাম মামা ! দেখে যাও !! তারপরে আমার আবিষ্কারে মামা হতভম্ব হয়ে গেল। সেটা হচ্ছে আমি প্রাকৃতিক বড় কর্মটা সেরেছি মাটিতে এবং প্রচন্ড ঠান্ডায় সেটা থেকে হালকা ধোঁয়া বের হচ্ছে। মামা যখন হতবাক হয়ে আছে আমি তখন বিজ্ঞের মত মাথা দুলিয়ে বললাম, “মামা, আক্কা গরম”। এই আবিষ্কারের কথা ছড়িয়ে যেতে সময় লাগলো না। তখন ফেসবুক থাকলে নিঃসন্দেহে এই কাহিনী দে...